নব্বই দশকের পূর্বে খুলনাতে তেমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খাকলেও
পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে খুলনাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা মেডিকেল কলেজ
স্থাপিত হয়। ২০০৩ সালে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠিত হয় যা পূর্বে বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব টেকনোলজি, খুলনা নামে
পরিচিত ছিল। তাছাড়া সরকারী বি. এল কলেজ
এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার চাহিদা মিটিয়ে আসছে। মাধ্যমিক
শিক্ষার পর কারিগরি শিক্ষার জন্য খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় :
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। এটি দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খুলনাতে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশর একমাত্র রাজনীতি মুক্ত সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৮৭ সালের ৪ জানুয়ারি গেজেটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সরকারি সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯১ সালের ২৫ নভেম্বর। [২] বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার জন এবং প্রতিবছর ২১ টি বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় :
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। এটি দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খুলনাতে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশর একমাত্র রাজনীতি মুক্ত সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৮৭ সালের ৪ জানুয়ারি গেজেটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সরকারি সিদ্ধান্ত প্রকাশিত হয়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯১ সালের ২৫ নভেম্বর। [২] বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার জন এবং প্রতিবছর ২১ টি বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়।
পরিচ্ছেদসমূহ
- ১ অবস্থান
- ২ ইতিহাস
- ৩ স্কুল ও ডিসিপ্লিনসমূহ
- ৩.১ বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি স্কুল
- ৩.২ জীববিজ্ঞান স্কুল
- ৩.৩ ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রসাশন স্কুল
- ৩.৪ কলা ও মানবিক স্কুল
- ৩.৫ সমাজবিজ্ঞান স্কুল
- ৩.৬ চারুকলা ইন্সটিটিউট
- ৩.৭ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট
- ৪ মর্ডান ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার
- ৫ সংগঠন
- ৫.১ রাজনৈতিক
- ৫.২ সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য সংগঠনসমূহ
- ৫.৩ বিবিধ
- ৬ স্থাপত্য নিদর্শনসমূহ
- ৬.১ গ্রন্থাগার ভবনসমূহ
- ৬.২ একাডেমিক ভবনসমূহ
- ৬.৩ আবাসিক হলসমূহ
- ৬.৪ অন্যান্য
- ৭ কৃতি ছাত্র-ছাত্রী
- ৮ কৃতি শিক্ষক
- ৯ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
- ৯.১ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের তালিকা
- ১০ সুযোগ-সুবিধাসমূহ
- ১১ তথ্যসূত্র
- ১২ আরও দেখুন
অবস্থান
খুলনা মহানগরী থেকে তিন কিলোমিটার পশ্চিমে, খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক সংলগ্ন ময়ুর নদীর পাশে গল্লামারীতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত।[১] এর আয়তন ১০১.৩১৬ একর।ইতিহাস
১৯৭৪ সালে ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টে খুলনা বিভাগে উচ্চ শিক্ষার্থে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়। ১৯৭৯ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন সরকারের ক্যাবিনেটে খুলনায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন অধ্যাদেশ ৫(১)জি ধারা মতে খুলনা বিভাগে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ১৯৮৩ সালে সরকারের কাছে প্রস্তাব পেশ করা হয়। ১৯৮৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। ১৯৮৭ সালের জানুয়ারি ৪ গেজেটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৯৮৯ সালের ৯ মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৮৯ সালের ১ অগাস্ট বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. গোলাম রহমানকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রকল্প পরিচালক এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯৯০ সালের ৩১ জুলাই তারিখে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংসদে পাস হয় যা এই প্রতিষ্ঠানের কার্যবিধি নিয়ন্ত্রণ করে।[৩] অবশেষে, ১৯৯১ সালের ২৫ নভেম্বর একাডেমিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ঐ বছর থেকে মোট চারটি ডিসিপ্লিনে ৮০ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। [১]স্কুল ও ডিসিপ্লিনসমূহ
বর্তমানে ৫ টি অনুষদের অধীনে ২১ টি ডিসিপ্লিন এবং ১ টি ইনস্টিটিউট রয়েছে।বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি স্কুল
- স্থাপত্য ডিসিপ্লিন
- কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল ডিসিপ্লিন
- নগর ও গ্রামীন পরিকল্পনা ডিসিপ্লিন
- ইলেক্ট্রনিক্স ও যোগাযোগ প্রকৌশল ডিসিপ্লিন
- গণিত ডিসিপ্লিন
- পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিন
- রসায়নবিজ্ঞান ডিসিপ্লিন
- পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিন
জীববিজ্ঞান স্কুল
- ফিশারীজ ও মেরিন রিসোর্স টেকনোলজী ডিসিপ্লিন
- ফরেস্ট্রী ও উড টেকনোলজী ডিসিপ্লিন
- পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিন
- বায়োটেকনোলজী ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন
- মৃত্তিকা বিজ্ঞান ডিসিপ্লিন
- এগ্রোটেকনোলজী ডিসিপ্লিন
- ফার্মেসি ডিসিপ্লিন
ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রসাশন স্কুল
- ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিন
কলা ও মানবিক স্কুল
- ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্য ডিসিপ্লিন
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ডিসিপ্লিন
সমাজবিজ্ঞান স্কুল
- সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিন
- অর্থনীতি ডিসিপ্লিন
- উন্নয়ন অধ্যয়ন ডিসিপ্লিন
চারুকলা ইন্সটিটিউট
- ড্রয়িং ও প্রিন্ট মেকিং
- পেইন্টিং
- স্কাল্পচার (ভাস্কর্য)
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট
প্রস্তাবিতমর্ডান ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার
- ইংরেজি ভাষা সার্টিফিকেট কোর্স
- জাপানি ভাষা সার্টিফিকেট কোর্স
- ফরাসি ভাষা সার্টিফিকেট কোর্স
- ফারসি ভাষা সার্টিফিকেট কোর্স
সংগঠন
রাজনৈতিক
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-বিষয়ক পরিচালকের দপ্তর কর্তৃক জারীকৃত শিক্ষার্থী আচরণ বিষয়ক নীতিমালা অনুসারে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের রাজনৈতিক কর্মকান্ড সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। তবে শিক্ষক ও কর্মচারী - কর্মকর্তাদের জন্য রাজনীতি বিষয়ক কোন প্রকার বাধ্য-বাধকতা নেই।সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য সংগঠনসমূহ
- নৃ-নাট্য (নাটক)
- থিয়েটার নিপুন(নাটক)
- ব-পাঠ(পাঠক)
- ছায়াবৃত্য(আবৃতি)
- ৩৫ মিমি.(মুভি ক্লাব)
- খুলনা ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি (ফটোগ্রাফি ক্লাব)
- ওঙ্কার-শৃনুতা
- ভৈরবী(সংগীত)
- রোটারেক্ট ক্লাব (সেচ্চাসেবক)
- বাধন (রক্তদান কর্মসূচি )
- স্পার্ক (নাচের ক্লাব)
- নয়েজ ফেক্টোরি (ব্যান্ড সংগীত)
বিবিধ
স্থাপত্য নিদর্শনসমূহ
গ্রন্থাগার ভবনসমূহ
- কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ভবন
- শার্লি ইসলাম গ্রন্থাগার ভবন
একাডেমিক ভবনসমূহ
- একাডেমিক ভবন ১
- একাডেমিক ভবন ২
- একাডেমিক ভবন ৩
আবাসিক হলসমূহ
- ছাত্র হল
- খান জাহান আলী হল
- খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ হল
- ৩য় ছাত্র হল (নির্মাণাধীন)
- ছাত্রী হল
- অপরাজিতা হল
- ২য় ছাত্রী হল (নির্মাণাধীন)
অন্যান্য
- রেজিস্টার ভবন
- প্রশাসনিক ভবন
- কেন্দ্রীয় ক্যাফেটারিয়া
- মেডিকেল সেণ্টার
- পোস্ট অফিস ভবন
- টিচার্স কোয়ার্টারস ও ডরমিটরি
- কেন্দীয় শহীদ মিনার
- মুক্তিযুদ্ধের ভাষ্কর্য খুলনা মেডিকেল কলেজ :
খুলনা মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম চিকিৎসাবিজ্ঞান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ।১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এখনও এটি অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে । বর্তমানে প্রায় ৬০০ আন্ডারগ্রাজুয়েট ছাত্রছাত্রীর পাশাপাশি পোস্ট -গ্রাজুয়েট পর্যায়ের প্রশিক্ষনও এখানে প্রদান করা হচ্ছে। তা ছাড়াও এখানে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে শর্টকোর্স ও ট্রেনিং চালু আছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) বাংলাদেশের একটি সরকারী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা বিভাগের খুলনা জেলায় অবস্থিত। পূর্বে এর নাম ছিল বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি, খুলনা ও তারও আগে, খুলনা প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়। এটি বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অন্যতম। এখানে প্রায় দু'হাজার তিনশো ছাত্রছাত্রী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রকৌশল ও বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছে। এখানকার শিক্ষক সংখ্যা ১৩০-এরও অধিক। বিশ্ববিদ্যালয়টির অঙ্গন সম্প্রসারণে নতুন কিছু ভবন তৈরি করা হয়েছে যেমন- একাডেমিক ভবন, অডিটোরিয়াম কমপ্লেক্স, ছাত্রাবাস, গ্রন্থাগার, শিক্ষক ডরমিটরি ভবন ইত্যাদি। আরও কিছু ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস খুলনা শহর থেকে ১১ কি.মি. উত্তরে, খুলনা-যশোর মহাসড়কের পাশে ফুলবাড়ীগেটে অবস্থিত।
পরিচ্ছেদসমূহ
- ১ ইতিহাস
- ২ ক্যাম্পাস
- ৩ লক্ষ্য
- ৪ উদ্দেশ্য
- ৫ প্রকৌশল ল্যাবস
- ৬ ভর্তি
- ৭ সেন্ট্রাল কম্পিউটার কেন্দ্র
- ৮ অনুষদ এবং বিভাগসমূহ
- ৯ ইনস্টিটিউট ও সেন্টারসমূহ
- ১০ মিলনায়তন
- ১১ লাইব্রেরী
- ১২ ছাত্র কল্যাণ পরিষদ
- ১৩ মেডিক্যাল সেন্টার
- ১৪ আবাসিক হলসমূহ
- ১৫ তথ্যসূত্র
- ১৬ বহিঃসংযোগ
- ১৭ আরও দেখুন
ইতিহাস
বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়(কুয়েট) অন্যতম । কুয়েট খুব উচ্চ মানের শিক্ষা, প্রকৌশল পাশাপাশি মৌলিক বিজ্ঞানের প্রধান শাখাসমূহ গবেষণা ও উন্নয়নমূলক কর্মসূচী দান জন্য ভালোভাবে পরিচিত। দেশের এবং বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের বর্তমান চাহিদা একটি মানসম্পূন্ন শিক্ষা, গবেষণা এবং অগ্রগতি অজ্রন কুয়েট এর মুল উদ্দেশ্য যা এটকে " শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র" হিসাবে আখ্যায়িত করেছ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৭ সালে বাংলাদেশ খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান নির্দেশে এটা অভীষ্ট জার্নি শুরু করে ৩রা জুন ১৯৭৪ সালে। পরে ভাল একাডেমিক এবং গবেষণা ক্ষমতা এবং পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য, এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান থেকেরূপান্তরিত করে ১৯৮৪ সালে রাখা হয় বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি),খুলনা। একাডেমিক এবং গবেষণার ক্ষেত্রে যুগের চাহিদা মেটা্নর জন্য বিআইটি কে আপগ্রেড এবং নাম পরিবর্তিত করে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রাখা হয় ২০০৩ সালে। কুয়েট স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উভয় এবং বিজ্ঞান মধ্যে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে গবেষণা করা হয়।বর্তমানে ৩টি অনুষদের অধীনে ১৪টি অ্যাকাডেমিক ডিপার্টমেন্টে প্রায় ৩১১১ শিক্ষার্থী অধ্যয়ণ করে।দেশের শীর্ষ গ্রেডের মোট ৬৬৫ জন কে খুব প্রতিযোগিতামূলক, স্বচ্ছ এবং মানসম্মত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষাবর্ষ (২০১০-২০১১) এর জন্য বাছাই করা হইসে।পাশাপাশি, উন্নত মানের মাত্রা স্নাতক M.Sc প্রকৌশল, M.Phil এবং Ph.D গবেষণায় এবং গবেষণা করা হয়। সুন্দর ভাবে সকল কাজ সুন্দর পরিবেশে সম্পুর্ন হুচ্ছে। এছাড়া বিদেশি দেশ থেকেও শিঙ্ক্ষার্ধী এখানে অর্ধয়ন করছে।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনুষদে প্রায় ২০২ এর ও বেশি প্রসিদ্ধ, পাণ্ডিত্যপূর্ণ ,বিশিষ্ট বাক্তিরা শিক্ষার বিভিন্ন শাখাসমূহে জড়িত।শিক্ষা ও শেখার ক্ষমতা প্রসারিত করের জন্য সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি নতুন বিভাগ খলা হয়েছে এবং ইতিমধ্যে আগামী সেশনের ছাত্রের নাম নথিভুক্ত করা হযেছে।বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তিগত দিক নির্দেশনা গবেষণা এবং প্রশিক্ষণ, বিশেষত তথ্য প্রযুক্তি খাতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটানর জন্য ইনষ্টিটিউট অফ ইনফরমেশন এণ্ড কমিউনিকেশন(আইআইসিটি) এছাড়াও সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত ছোট কোর্স, ডিপ্লোমা করার সুবিধা এখানে আছে।এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস খুলনা সিটি কর্পোরেশন, সিটি সেন্টার থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার উত্তর - পশ্চিম কোণার দিকে তেমনি একটি হৃদয়স্পর্শী প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সুবিশাল সবুজ গাছপালা সম্বলিত ১০১ একর আয়তন উপর অব্রস্তিত । একটি তাজা বায়ুময় ক্যাম্পাস এবং ছাত্রদের জন্য সুকমল বাতাস যুক্ত আবাসিক হলের বাবস্থা রয়েছে।আবাসিক হল, একাডেমিক বিল্ডিং এবং প্রতিষ্ঠান, কর্মশালা, বাজান ভিত্তিতে স্বয়ংপরিবেশন ভোজনালয়, অডিটোরিয়াম, শিক্ষকদের আবাসস্তল ইত্যাদি সহ দৈহিক পরিকাঠামো গঠনের জন্য সুন্দর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রতি বছর পাঁচশতের বেশি ছাত্র এ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন শাখায় স্নাতক ডিগ্রী লাভ করে।তারপর রযুক্তিগত উত্কর্ষর চাহিদাগুলি পূরনের জন্য এরা নিজেদের ক্ষেত্র থেকে কাজ করে দেশের উন্নতি করে থাকে।তাদের অনেকে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও পেশার দিক দিয়ে নেতৃস্থানীয় জায়গা দখল করে আছে।
নতুন একাডেমিক ভবন
ক্যাম্পাস
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্বিবদ্যালয় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের তৃতীয় বৃহওম বিভাগীয় শহর খুলনার উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের ফুলবাড়িগেটে অবস্হিত।
ক্যাম্পাস খুলনা সিটির জিরো পযেন্ট থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্হিত।ক্যাম্পাস থেকে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্হা খুব ভালো ।এটা জিলা বাস টার্মিনাল হতে ১২ কিলোমিটার দূরে এবং খুলানা রেলওয়ে হতে ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্হিত।
এটা ১০০ একর জায়গার উপরে অবস্হিত ।
মূল একাডেমিক ভবনে বিভিন্ন শিক্ষা ও গবেষণা সুবিধা আছে।প্রত্যেক বিভাগের একটি আলাদা চত্বর আছে ।এরকম আলাদা কতগুলো চত্বর মিলে ক্যাম্পাসের মুল একাডিমিক চত্বর গঠিত।।হেভি প্রকৌশল ল্যাবরেটরি নিচের তলা বা অন্য পৃথক ওয়ার্কশপ এর মধ্যে অবস্থিত আছে. যদিও লাইট ল্যাবরেটরিজ, শ্রেণী এবং প্রকল্প কক্ষ উপরের তলার উপর অবস্থিত ।ল্যাবরেটরির শিক্ষকদের জন্য আলাদা অফিস আছে।বেশি সময়ের লেকচারের জন্য প্রতিটা বিভাগে আধুনিক মালপত্র এবং সাউন্ডের জন্য উপকরণ সম্বলিত সেমিনার রুম আছে। ক্যাম্পাসে এছাড়াও শিক্ষক ও কর্মচারী ক্লাব, মেডিকাল সেন্টার, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, এটিএম বুথ , পোস্ট অফিস ,ব্যাংক এবং খেলার মাঠ ইত্যাদি সুবিধা আছে।ছাত্র কল্যাণ কমিটি ছাএদের মানসিক ও শারীরিক উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত-পাঠক্রম সংক্রান্ত সুবিধা দান করে।
লক্ষ্য
১।কুয়েটের প্রাথমিক লক্ষ্য মানুষের জ্ঞানের সীমা প্রসার, নাগরিক, জাতি এবং বিশ্বের সমৃদ্ধ ও উন্নয়নসাধন করা । দেশের নন্দিত গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কুয়েট শিক্ষা, গবেষণা, বৃত্তি, সৃজনশীল কর্মকান্ড, প্রসার, এবং জাতির শ্রেষ্ঠ সরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিযুক্ত করার সাথে শ্রেষ্ঠ মানুষদের একত্র করে ।
২।স্নাতকদের মধ্যে ধারনা এবং উদ্ভাবন সহজতর করা হয় ব্যাপক বৈচিত্র্যের মাধ্যমে, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তিতে কাজ করার মাধ্যমে ।
৩।নতুন প্রতিযোগীতার মুখোমুখি হয়ে তা জয় করা, এবং বড় মানের কাজে জ্ঞানের সর্বোচ্চ কাজে লাগিয়ে সমাজকে সেবা প্রদান ।
৪।স্নাতক এবং স্নাতক পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উচ্চ মানের শিক্ষা প্রদান এবং দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা যাতে তারা জীবনব্যাপী নৈতিক, সামাজিক, ও কর্মজীবনে প্রতিযোগীতার সম্মুখীন হয়ে তা জয় করা করতে পারে ।
৫।জাতির উন্নয়নের লক্ষ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তিতে নতুন জ্ঞান অর্জণ এবং প্রচারের মাধ্যমে অবদান রাখা ।
৬।একটি ভাল মানের শিক্ষাদান প্রদানের মাধ্যমে ছাত্র সেবা করা এবং সমস্যা সমাধান, নেতৃত্ব ও দলবদ্ধতার দক্ষতা অর্জণ, এবং মান, নৈতিক আচরণ এবং অন্যদের সম্মান পাওয়ার যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা । কর্ম ভিত্তিক শিক্ষা পদ্ধতি, গবেষণা এবং দেশের বাইরে পড়াশুনার সুযোগ করে দেবার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহিত করা ।
৭।যেসব অধ্যাপক বৃত্তি প্রদান করে, শিক্ষার মানের উন্নয়ণ সাধন করে, এবং শিক্ষার রুপান্তর করে তাদের সহযোগিতা প্রদান । জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষা, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধন ।
৮।স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কর্মজীবনের প্রস্তুতি লাভের জন্য, উচ্চ মানের শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্হা করা ।
উদ্দেশ্য
১।দেশের স্নাতক পর্যায়ের এবং পেশাদারী শিক্ষা, গবেষণা এবং বৃত্তির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা, নতুন জ্ঞান ও উদ্ভাবণের মাধ্যমে যা প্রকৃতপক্ষে শিক্ষা ও মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নতিসাধন করে । প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানে শ্রেষ্ঠতা লাভ করা, স্নাতকরা যেন পরিবর্তনশীল উপায়ে বুঝতে ও অভিজ্ঞতা অর্জণ করতে পারে। উপরন্তু, কুয়েট এমন এক শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় হবে যা জনগনকে সবরকম প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করবে ।
২।প্রতিযোগীতা, শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক একাডেমিক কমিউনিটির জন্য জাতীয় আদর্শে পরিণত হওয়া যা উচ্চ শিক্ষা, অর্থনৈতিক জীবনীশক্তি এবং জীবনযাত্রার মানের উন্নতি করে ।
৩।কার্যক্রম প্রসার ও প্রচারের নতুন জানালা খুলে দেয়া যার মাধ্যমে কুয়েট তার ঐতিয্যবাহী কার্যক্রমের প্রচার রক্ষা করবে এবং বৃহত্তর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কার্যক্রমের প্রচারে যুক্ত করবে যা সমাজের পরিবর্তনশীল চাহিদা পূরণ করবে । ইহা মানুষকে সেবা প্রদানের নতুন ও অভিণব উপায় খোঁজা চালিয়ে যাবে ।
প্রকৌশল ল্যাবস
KUET বিভিন্ন প্রকৌশল ল্যাবস যা একাডেমিক নিজ নিজ বিভাগের দ্বারা চালিত হয় সঙ্গে সমাধা.
পুরকৌশল ল্যাবস পরিবহন ল্যাব, ল্যাব HYDRAULICS, এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, প্রকৌশল সামগ্রী ল্যাব, সলিড ল্যাবের যন্ত্রসংক্রান্ত, ল্যাব সমীক্ষা, জিওট্যাকনিক্যাল ল্যাব, ভূ পরিবেশগত ল্যাব (শুধু জন্য পোস্ট স্নাতকের) এবং কম্পিউটার ল্যাব অন্তর্ভুক্ত.
যন্ত্রকৌশল ল্যাবস তাপ স্থানান্তর ল্যাব, ল্যাব কন্ট্রোল, বয়লার ল্যাব, ফলিত যন্ত্রসংক্রান্ত ল্যাব, মেশিন শপ, উত্পাদনের দোকান, কাঠ এবং মডেলিং দোকান, আবহবিদ্যা ল্যাব, তরল ল্যাব, বিভাগীয় কম্পিউটার কেন্দ্র এবং ফাউন্ড্রি দোকান অন্তর্ভুক্ত.
ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবস বৈদ্যুতিক সার্কিট ল্যাব, পরিমাপ, এবং যন্ত্রানুষঙ্গের ল্যাব, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ল্যাব, এনালগ ইলেকট্রনিক্স ল্যাব, মেশিন ল্যাব ইলেকট্রিক্যাল, কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, Microprocessor এবং হার্ডওয়্যার পোশাকের ল্যাব, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স ও মেশিনের ড্রাইভ ল্যাব (PEMD ল্যাব) অন্তর্ভুক্ত, পাওয়ার সিস্টেম এবং সুরক্ষা ল্যাব, উচ্চ ভোল্টেজ ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাব, প্যাটার্ন রেকগনিশন এবং চিত্র প্রসেসিং ল্যাব, কমপিউটার ভাষা সিমুলেশন এবং সংখ্যাসূচক প্রসেসিং ল্যাব এবং একটি বিভাগীয় কম্পিউটার কেন্দ্র।
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল ল্যাবস কম্পিউটার ভাষা এবং কম্পিউটিং ল্যাবরেটরি, সফ্টওয়্যার এবং ওয়েব ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি, কমপিউটার হার্ডওয়্যার এবং পোশাকের ল্যাবরেটরি, ডিজিটাল সিস্টেম এবং VLSI ডিজাইন ল্যাবরেটরি, ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম ল্যাবরেটরি, মাল্টিমিডিয়া ও নেটওয়ার্কিং এবং ল্যাবরেটরি হাই টেক সিস্টেম উন্নয়ন কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত।
ভর্তি
কুয়েটে প্রতিবছর স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীর জন্য শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় । ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের পূর্ব নির্ধারিত প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করা আবশ্যক। কুয়েটের তিনটি অণুষদের পুর কৌশল বিভাগ, আরবান এণ্ড রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগ, তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ, কম্পিউটার সায়েন্স এণ্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইলেকট্রনিক্স এণ্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এই নয় বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তি করা হয় । এনার্জি টেকনোলজি বিভাগ, বায়োমেডিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, রসায়ন বিভাগ, গণিত বিভাগ, পদার্থবিদ্যা বিভাগ এই সকল বিভাগে শুধুমাত্র স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীর জন্য ভর্তি করা হয় ।
স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির জন্য সাধারণত "উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট"(H.S.C.) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর সংবাদপত্র ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার প্রয়োজনীয় শর্ত, নিয়ম ও ফরম পাওয়া যায় ।এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, গণিত এবং ইংরেজির সম্মিলিত জিপিএ অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্টসংখ্যক ছাত্রদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের সুযোগ দেওয়া হয় । ভর্তি পরীক্ষা প্রধানত এইচএসসি পরীক্ষার গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও ইংরেজি বিষয়ের পাঠ্যক্রমের উপর হয় । পরীক্ষার সময়কাল হল দুই ঘন্টা এবং ৩০ মিনিট । মোট ৫০০ নম্বরের পরীক্ষা এবং প্রশ্ন MCQ টাইপ হয় । প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য একটি সঠিক উত্তরের ২৫% নম্বর কাটা হয় । এছাড়া বিশেষ শর্তসাপেক্ষে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক আসনে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।
সেন্ট্রাল কম্পিউটার কেন্দ্র
KUET 512 KByte / s এর একটি আপলোড এবং 1024 KByte / গুলি ডাউনলোডের জন্য জন্য ব্যবহৃত ব্যান্ডউইর্তের তার নিজস্ব VSAT সুবিধা আছে. ব্রডব্যান্ড গতি 10Mbps এবং আইএসপির BTCL হয়. এটা একটি বড় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ছয় আইবিএম সার্ভারের সাথে সংযুক্ত করে. সিস্টেম অধিক 250 1 গিগাবাইট অপটিক্যাল ফাইবার লাইন এবং ছয় অপটিক্যাল সুইচ দ্বারা আবদ্ধ ওয়ার্কস্টেশনে আছে. সমস্ত স্টেশন সর্বশেষ প্রয়োজনীয় মুদ্রণ, স্ক্যান এবং সিডি লেখার সুবিধার সঙ্গে সংস্করণ কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত. সমস্ত ছাত্র এবং অনুষদ নেটওয়ার্কে সহজে এক্সেস আছে.
প্রতিটি বিভাগের একাডেমিক লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN), যা কেন্দ্রিয় নেটওয়ার্ক ব্যাকবোন সঙ্গে আরও ছিলেন রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়. কেন্দ্রিয় কম্পিউটার নেটওয়ার্ক রাষ্ট্র অফ দ্যা-শিল্প বিভিন্ন বিষয়ের গবেষক এর জন্য কম্পিউটার সফ্টওয়্যার উপলব্ধ করা হয়. KUET EEE এবং সিএসই ডিপার্টমেন্টে নিজের ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক আছে. সম্প্রতি KUET হয়েছে তার সেন্ট্রাল লাইব্রেরী, ছাত্র Walefare (DSW) এবং সেন্ট্রাল কম্পিউটার কেন্দ্র (CCC) রঙ্গভূমি ডিরেক্টর মধ্যে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক আরম্ভ.
অনুষদ এবং বিভাগসমূহ
কুয়েটে তিনটি অণুষদের অধীনে ১৪টি বিভাগ এবং ১টি ইনস্টিটিউট থেকে ডিগ্রী প্রদান করা হয়। নিচের ছকে এ সংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ কর হলঃ
অণুষদ বিভাগ বিভাগীয় কার্যক্রম স্নাতক স্নাতকোত্তর সংক্ষেপ নাম ইঞ্জিনিয়ারিং ইঞ্জিনিয়ারিং এম.ফিল. ডক্টরাল পুরকৌশল অনুষদ সিই পুরকৌশল অনুষদ ইউআরপি নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ কেম রসায়ন বিজ্ঞান পদা পদার্থ বিজ্ঞান ম্যাথ গণিত হিউম মানবিক তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদ ইইই তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ সিএসই কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগ ইসিই ইলেক্ট্রনিক ও কমিউনিকেশন কৌশল বিভাগ BME বায়োমেডিক্যাল প্রকৌশল যন্ত্রকৌশল অনুষদ এমই যন্ত্রকৌশল IEM কারখানা প্রকৌশল ও ব্যবস্থাপনা ET শক্তি প্রযুক্তি LE লেদার প্রকৌশল ইনস্টিটিউট ও সেন্টারসমূহ
মিলনায়তন
লাইব্রেরী
কুয়েটের শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার জন্য একটি সুবিশাল কেণ্দ্রীয় গ্রন্থাগার রয়েছে । দেশ ও বিদেশের অসংখ্য বই আছে । প্রতিটা বিভাগের প্রয়জোনিয় অধিকাংশ বই এখানে পাওয়া যায় । এই গ্রন্থাগার থেকে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে ৩টি বই একমাসের জন্য তুলতে পারে । এছাড়া এখানে বসে পড়ার জন্য খুবই সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে ।এখন কুয়েটের কেণ্দ্রীয় গ্রন্থাগার অটোমেশন পদ্ধতির আওতায় চলে গেছে,যা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুোর মধ্যে প্রথম । তাই এখন অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে প্রয়োজনীয় বইয়ের তথ্য পাওয়া যায় এবং যেসব বই শিক্ষার্থীরা তুলেছে সেগুলোর পুনরায় ইস্যু করা যায় । এছাড়া প্রতিটি বিভাগের একটি করে নিজস্ব গ্রন্থাগার রয়েছে, যেখানে প্রতিটি সেমিস্টারের জন্য নামমাত্র মূল্যে বই পাওয়া যায় ।
ছাত্র কল্যাণ পরিষদ
ছাত্র কল্যাণ পরিষদ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রমের সংগঠন করে এবং সমম্বয় ঘটানসহ আরো করে -
১। শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত-পাঠক্রম সংক্রান্ত কার্যক্রম তদারকি । ২। শারীরিক শিক্ষা প্রোগ্রাম তদারকি বা পরিদর্শন । ৩। আবাসিক ছাত্রাবাসের প্রশাসন । ৪। শিক্ষার্থীদের আবাসিক ছাত্রাবাস বন্টন। ৫। চাকুরী প্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান। ৬। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা।
ছাত্রকল্যাণ পরিচালকের কার্যালয়ে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ
- উপ পরিচালক:
জনাব মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ
- সহকারী পরিচালক:
জনাব সেলিম হোসেন
- শারীরিক শিক্ষা কর্মকর্তা :
জনাব মোঃ হেলাল ফকির
- শারীরিক শিক্ষা প্রশিক্ষক:
জনাব মোঃ সরদার আবুল কালাম আজাদ
মেডিক্যাল সেন্টার
কুয়েটে শিক্ষার্থীসহ সকলের সেবার জন্য একটি চিকিৎসাকেন্দ্র (কুয়েট মেডিকেল সেন্টার) রয়েছে । এখানে দিন অথবা রাত সার্বৎক্ষনিক সেবা প্রদানের জন্য চিকিৎসক, নার্স রয়েছেন । এখানে শিক্ষার্থীদের বিনা খরচে চিকিৎসা প্রদানের সাথেসাথে বিনা খরচে ঔষধ ও দেয়া হয় । এছাড়া কুয়েট মেডিকেল সেন্টার এখন অটোমেশন পদ্ধতির আওতায় চলে গেছে । কুয়েটের সকল সদস্যের নিজস্ব তথ্যের সাথে কুয়েট মেডিকেল সেন্টারেরও সকল প্র্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায় ।আবাসিক হলসমূহ
KUET এ আবাসিক হল ক্যাম্পাস জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। সাত আবাসিক হল (1 মহিলা, পুরুষ 6) আছে. একটি হলের প্রশাসনিক মাথা হয় তার প্রভোস্ট এবং সহকারী প্রভোস্ট। সাধারণত হল একটি একক প্রভোস্ট এবং এক বা একাধিক সহকারী প্রভোস্ট (গুলি) আছে. হলগুলো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের এবং ইভেন্ট বোধক নামকরণ করা হয়।ফজলুল হক হল (প্রথম হল) খান জাহান আলী হল ডাঃ এম এ রশিদ হল Lalan শাহ হল রোকেয়া হল (মহিলা হল) অমর একুশে হল বঙ্গবন্ধু হলএই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ছাত্রীহলসহ মোট সাতটি আবাসিক হল রয়েছে। এগুলো হলোঃ
| হলের নাম | প্রভোষ্টের নাম | আসনসংখ্যা |
| অমর একুশে হল | অধ্যাপক ডঃ মোঃ সাইফুল ইসলাম | ৫৫০ |
| লালন শাহ হল | ডঃ মোঃ আব্দুল মতিন | ৩০০ |
| ড. এম এ রশীদ হল | জনাব এ,এন,এম,এনামুল কবীর | ১৭৫ |
| ফজলুল হক হল | অধ্যাপক ডঃ মুহাঃ রফিকুল ইসলাম | ১৭৫ |
| খান জাহান আলী হল | অধ্যাপক ডঃ আবু রকিব মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন জামালী | ৩০০ |
| রোকেয়া হল | অধ্যাপক ডঃ মোহাম্মদ আবু ইউসুফ | ৩০০ |
| বঙ্গবন্ধু হল | অধ্যাপক ডঃ মোহাম্মদ সোবহান | ৫৫০ |
সরকারি বি. এল. কলেজ :
সরকারি বি. এল. কলেজ বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের অন্যতম প্রধান কলেজ যা খুলনা শহরে দৌলতপুরে ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত। ১৯০২ সালের জুলাই মাসে খুলনার শিক্ষায় পৃষ্ঠপোষক শিক্ষানুরাগী শ্রী ব্রজলাল চক্রবর্তী (শাস্ত্রী)কলকাতার হিন্দু কলেজের আদলে ২ একর জায়গার উপর দৌলতপুরে হিন্দু একাডেমী নামে এটি প্রতিষ্ঠা করেন[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]। পরবর্তীতে হাজী মহম্মদ মহসীন ট্রাস্ট তার সৈয়দপুর এস্টেটের ৪০ একর জমি এই প্রতিষ্ঠানে দান করে এবং মাসিক ৫০ টাকা অনুদান বরাদ্দ করে।
দুইটি টিনশেড ঘরে ১৯০২ সালের ২৭শে জুলাই থেকে প্রতিষ্ঠানটির ক্লাশ শুরু হয়। একটি বোর্ড অব ট্রাস্টির মাধ্যমে কলেজটি পরিচালনা করা হত যার সভাপতি ছিলেন শাস্ত্রী ব্রজলাল চক্রবর্তী। প্রথমদিকে সম্পূর্ণ আবাসিক এই প্রতিষ্ঠানটি 'চতুষ্পাঠী' এবং 'একাডেমি' নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত ছিল। চতুষ্পাঠীর ছাত্রদের খাবার, পড়া এবং আবাসন খরচ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বহন করা হত। ১৯১০-১৯১১ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রথম মুসলিম হোস্টেল নির্মিত হয়। মূল ভবনের বাইরে অবস্থিত এই মুসলিম হোস্টেলে আরবি এবং ফারসি ভাষার ক্লাশ নেওয়া হত। পরে তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফলজুল হকের নির্দেশে কলেজে প্রথম মুসলমান শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠাকালে ঘাটভোগের (ফকিরহাট, বাগেরহাট) জমিদার ত্রৈলক্যনাথ চট্টোপাধ্যায় জমি ক্রয় করে দেন। ১৯০২ সালের ২৭শে জুলাই থেকে দুইটি টিনশেড ঘরে প্রতিষ্ঠানটির ক্লাশ শুরু হয়। ১৯০৭ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়। প্রথমদিকে সম্পূর্ণ আবাসিক এই প্রতিষ্ঠানটি 'চতুষ্পাঠী' এবং 'একাডেমি' নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত ছিল। চতুষ্পাঠীর ছাত্রদের খাবার, পড়া এবং আবাসন খরচ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বহন করা হত। ১৯১০-১৯১১ তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে মুসলমান হোস্টেল নির্মিত হয় এবং প্রথমে আরবি এবং ফারসি ভাষার ক্লাশ নেওয়া হত এই মুসলমান হোস্টেলে যার অবস্থান ছিল প্রতিষ্ঠানের মূল ভবনের বাইরে। পরে তৎকালীন শিক্ষা মন্ত্রি এ কে ফলজুল হকের নির্দেশে কলেজে প্রথম মুসলমান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।
১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠাতা ব্রজলালের মৃত্যুর পরে কলেজের নামকরণ করা হয় ব্রজলাল হিন্দু একাডেমী। পরবর্তীতে একাডেমীকে কলেজে উত্তীর্ণ করা হয় এবং নাম সংক্ষিপ্ত করে বি এল কলেজ রাখা হয়। কলেজটি পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত হয় এবং এরপর থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রয়েছে। ১৯৬৭ সালের ১লা জুলাই তারিখে এটি সরকারী কলেজে পরিণত হয়। ১৯৯৩ সালে এটিকে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে উন্নীত করা হয়।
কলেজটিতে ১৭ টি বিষয়ে পাঠদান করা হয়। এর মধ্যে ১৫টি বিষয়ে অনার্স পর্যায়ে এবং ১৫টি বিষয়ে মাস্টার্স পর্যায়ে পাঠদান করা হয়। ১৯৯৬ সাল থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে পাঠদান বন্ধ হলেও ২০১০ আবার এই স্তরে পাঠদান শুরু হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দুইটি মহিলা হোস্টেলসহ মোট সাতটি হোস্টেল রয়েছে। বিভাগসমূহে আলাদা আলাদা সেমিনার লাইব্রেরি ছাড়াও খুবই সমৃদ্ধ একটি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার আছে। এখানে শিক্ষাকার্যক্রমের পাশাপাশি সুনামের সাথে সহ-শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলা, ইংরেজি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস, দর্শন, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রণিবিজ্ঞান এবং গণিত বিষয়ে অনার্স এবং মাস্টার্স কোর্স চালু আছে। এছাড়া, সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে।
শতাব্দী-প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই কলেজ দেশের শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভুমিকা পালন করে আসছে । দেশবরেণ্য অনেক পণ্ডিত এই কলেজে শিক্ষকতা করেছেন এবং এই কলেজের অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তীতে দেশবরেণ্য হয়েছেন। বর্তমানে কলেজটিতে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে এবং প্রায় দেড়শত শিক্ষক কর্মরত আছেন।












একটি মন্তব্য পোস্ট করুন