খুলনায় ছয় মাসে দোয়েল ল্যাপটপ বিক্রি মাত্র ১০টি

যাত্রা শুরুর প্রথম ৬ মাসে খুলনায় দোয়েলের নোটপ্যাড ও ল্যাপটপ বিক্রি হয়েছে মাত্র ১০টি। এর মধ্যে অক্টোবর মাসে একটি ল্যাপটপও বিক্রি হয়নি। অথচ অল্প দামে মান সম্পন্ন ল্যাপটপ বিক্রি হচ্ছে টেলিফোন শিল্প সংস্থার (টেলিশ) খুলনা কার্যালয়ে। টেলিশের কর্মকর্তারা জানান,
দোয়েল নিয়ে কোনো প্রচারণা চালানো হচ্ছে না। অধিকাংশ মানুষই জানে না খুলনায় দোয়েল বিক্রি হচ্ছে। জানুয়ারি মাসে ঢাকার একটি পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়ায় ওই মাসেই ২০টি নোটপ্যাড বিক্রি হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রচারণা চালালে বিক্রি আরও বাড়বে বলে তাদের ধারণা।
টেলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে বাণিজ্যিকভাবে দোয়েলের যাত্রা শুরু। খুলনায় দোয়েল ল্যাপটপ ও নোটপ্যাড বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে ২০১৩ সালের ২২ জুলাই। বিটিসিএল খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের একটি একতলা ভবন ভাড়া নিয়ে চলছে সংস্থার বিক্রয় ও সেবা কার্যক্রম। একজন সহকারী প্রকৌশলী ও দুই জন অপারেটর খুলনা অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন।
সূত্রটি জানায়, অফিস শুরুর পর কোনো ধরনের প্রচারণা চালানো হয়নি। এজন্য বিক্রিও হচ্ছে কম। অফিস থেকে জানা গেছে,  জুলাই মাসে খুলনা অফিসে ২টি, আগস্ট মাসে ২টি ও সেপ্টেম্বর মাসে ৩টি নোটবুক বিক্রি হয়েছে। অক্টোবর মাসে একটিও বিক্রি হয়নি। নভেম্বর মাসে একটি করে ল্যাপটপ ও নোটবুক এবং ডিসেম্বর মাসে একটি নোটপ্যাড বিক্রি হয়েছে।
জানুয়ারি মাসে একটি জাতীয় দৈনিকে দেশের ৭টি বিভাগীয় শহরে দোয়েল ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে বলে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে। ফলে এই মাসের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহে ৪টি ল্যাপটপ ও ২০টি নোটবুক বিক্রি হয়েছে। সার্ভিস সেন্টারের কার্যক্রমও চলছে।
সরেজমিন টেলিশের অফিস ঘুরে দেখা গেছে, শুরু থেকেই অফিসের কার্যক্রম চলছে ঢিলেঢালাভাবে। নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। খুলনা ও যশোর অঞ্চলের সার্ভিস সেন্টারও এখানে, অথচ অফিসে একটি লম্বা টেবিল ছাড়া কোনো আসবাপত্র নেই। প্রকৌশলী ও অপারেটরদের বসার জন্য নেই পর্যাপ্ত চেয়ার। আলমারি না থাকায় ল্যাপটপগুলো বাক্স ভরে ফোরে রাখা হয়েছে। হঠাৎ কেউ অফিসে প্রবেশ করলে পরিত্যক্ত ঘরের মতোই মনে হবে অফিসকে।
সংস্থার খুলনার অফিস ইনচার্জ প্রকৌশলী জুবায়ের রায়হান বলেন, বর্তমানে ১৩ ও ১৪ হাজার টাকা মূল্যের নোটপ্যাড এবং ২০ ও ২১ হাজার টাকা মূল্যের ল্যাপটপ খুলনা অফিসে পাওয়া যাচ্ছে। এত দিন প্রচারণা না থাকায় বিক্রি কম ছিল। সম্প্রতি বিক্রি কিছুটা বেড়েছে। স্থানীয়ভাবে প্রচারণা চালালে বিক্রি আরও বাড়বে।
তিনি বলেন, আঞ্চলিক কার্যালয় হিসেবে খুলনা ও যশোর অঞ্চলের ল্যাপটপ সার্ভিসের জন্য এখানে আনা হয়। সে অনুযায়ী অফিসে আরও জায়গা, আসবাপত্র ও অপারেটর প্রয়োজন। নিরাপত্তা নিয়ে শংকা প্রকাশ করেন তিনি।
Share this article :

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

 
Support : Creating Website | Johny Template | Mas Template
Copyright © 2011. "আমার খুলনা" - All Rights Reserved
Template Created by Creating Website Published by Mas Template
Proudly powered by Blogger