আন্তর্জাতিক
নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ এবং বেগম রোকেয়া দিবস-২০১৩ পালন উপলক্ষে
শশুক্রবার দুপুরে সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে
আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়। জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ শীর্ষক
কার্যক্রমের আওতায় বিভাগীয় প্রশাসন
ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আব্দুল জলিল বলেন,
দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদের অবহেলিত রেখে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। নারী
নির্যাতন বন্ধ করতে তাদেরকে শিক্ষিত এবং সচেতন করার করার কোন বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, পিছিয়ে পড়া নারীসমাজের জাগরণে বেগম রোকেয়ার যে অবদান তা
অস্বীকার করার উপায় নেই। তিনি বেগম রোকেয়ার লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে
নারীদেরকে আরও বেশী কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারীদের মধ্যে থেকে খুলনা বিভাগে নির্বাচিত পাঁচজন শ্রেষ্ঠ ‘জয়িতা’সহ ৫০জন ‘জয়িতা’কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাঁচটি ক্যাটাগরীতে পাঁচজন শ্রেষ্ঠ জয়িতা হলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী’ সোনালী আক্তার, ‘শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী’ সাবিনা ইয়াসমিন, ‘সফল জননী’ ফরিদা বেগম, ‘নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু’ মোছাঃ সালমা খাতুন এবং ‘সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায়’ অর্চনা বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারীদের মধ্যে থেকে খুলনা বিভাগে নির্বাচিত পাঁচজন শ্রেষ্ঠ ‘জয়িতা’সহ ৫০জন ‘জয়িতা’কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাঁচটি ক্যাটাগরীতে পাঁচজন শ্রেষ্ঠ জয়িতা হলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী’ সোনালী আক্তার, ‘শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী’ সাবিনা ইয়াসমিন, ‘সফল জননী’ ফরিদা বেগম, ‘নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু’ মোছাঃ সালমা খাতুন এবং ‘সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায়’ অর্চনা বিশ্বাস।
এতে খুলনা বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও নারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেন।












একটি মন্তব্য পোস্ট করুন